ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র-
-
ক
ব্যারোমিটার
-
খ
সেক্সট্যান্ট
-
গ
সিমোগ্রাম
-
ঘ
ম্যনোমিটার
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান একে ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। বাংলাদেশ মূলত তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের (ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান ও বার্মা প্লেট) সংযোগস্থলে অবস্থিত। ভূতাত্ত্বিকদের মতে, এই অঞ্চলে দীর্ঘকাল বড় কোনো ভূমিকম্প না হওয়ায় মাটির নিচে প্রচুর শক্তি জমা হয়ে আছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
সাম্প্রতিক ও ঐতিহাসিক উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্প
২০২৫ সাল এবং এর আগের উল্লেখযোগ্য কিছু ভূমিকম্পের তথ্য:
২১ নভেম্বর, ২০২৫: নরসিংদীর মাধবদীতে ৫.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যা ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং বেশ কিছু ভবনে ফাটল দেখা দেয়।
৪ ডিসেম্বর, ২০২৫: ঢাকার খুব কাছে (৩৬ কিমি দূরে) ৪.১ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়।
১৮৯৭ (গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকোয়েত): এটি ছিল আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বিধ্বংসী ভূমিকম্প (৮.১ মাত্রা), যার কেন্দ্র ছিল আসামে কিন্তু পুরো বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
১৯১৮ (শ্রীমঙ্গল ভূমিকম্প): ৭.৬ মাত্রার এই কম্পনে শ্রীমঙ্গল অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
Related Question
View Allএকটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর কী ঘটার সম্ভাবনা থাকে?
-
ক
জলোচ্ছ্বাস
-
খ
বন্যা
-
গ
ঘূর্ণিঝড়
-
ঘ
সুনামি
বাংলাদেশে সবচেয়ে কম ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
-
ক
উত্তর-পশ্চিম
-
খ
দক্ষিণ
-
গ
দক্ষিণ-পশ্চিম
-
ঘ
মধ্য অঞ্চল
সম্প্রতি (জানুয়ারি-২০২৪) জাপানে কত মাত্রায় ভূমিকম্প হয়েছে?
-
ক
৬.৫
-
খ
৭.৬
-
গ
৩.২
-
ঘ
৫.১
বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করেছিলেন কে?
-
ক
ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে
-
খ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৯ সালে
-
গ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৯ সালে
-
ঘ
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৮ সালে
ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্ৰ-
-
ক
ব্যারোমিটার
-
খ
সেক্সট্যান্ট
-
গ
সিসমোগ্রাফ
-
ঘ
ম্যানোমিটার
৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ এ তুরস্ক- সিরিয়ার ভূমিকম্পটি ছিলো —
-
ক
৬.৭ মাত্রা
-
খ
৭.২ মাত্রা
-
গ
৮.৭ মাত্রা
-
ঘ
৭.৮ মাত্রা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন